Sunday, February 15, 2026
HomeJhargramমহাশিবরাত্রির দিনে 'যুবসাথী' প্রকল্পের ফর্ম পূরণে উৎসবের মেজাজ ! জঙ্গলমহলে লাইনে দাঁড়িয়ে...

মহাশিবরাত্রির দিনে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের ফর্ম পূরণে উৎসবের মেজাজ ! জঙ্গলমহলে লাইনে দাঁড়িয়ে ভিড় সামলালেন বিধায়ক

নিজস্ব সংবাদদাতা : আজ মহাশিবরাত্রি উপলক্ষে যখন চারিদিকে উৎসবের আমেজ, ঠিক তখনই ঝাড়গ্রাম জেলার মাঠ, পার্ক, দুর্গামণ্ডপ এবং রাস্তায় দেখা গেল এক অন্যরকম দীর্ঘ লাইন। এই লাইন শিবের মাথায় জল ঢালার নয়, বরং রাজ্য সরকারের নতুন ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করার জন্য জঙ্গলমহলের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের লাইন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঝাড়গ্রাম সদর থেকে শুরু করে বিনপুর, বেলপাহাড়ি, জামবনি ও গোপীবল্লভপুরের মতো প্রান্তিক এলাকাগুলিতে আজ থেকেই শুরু হয়েছে এই বিশেষ রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প। প্রতিটি ক্যাম্পে সাধারণ মানুষকে সহায়তার জন্য ‘হেল্প ডেস্ক’ খোলা হয়েছে, যেখানে স্থানীয় ভাষায় প্রকল্পের যাবতীয় খুঁটিনাটি বুঝিয়ে দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক ও সরকারি আধিকারিকরা। ঝাড়গ্রামের এই স্বনির্ভরতার দিশা দেখানোর কর্মযজ্ঞে আজ অন্য এক ছবি ধরা পড়ল গোপীবল্লভপুর বিধানসভা এলাকায়। সেখানে বিধায়ক চিকিৎসক খগেন্দ্রনাথ মাহাতোকে দেখা গেল সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে গিয়ে লাইনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে অনেক যুবক-যুবতীর ফর্ম পূরণ করে দিলেন এবং আবেদনের পদ্ধতি বুঝিয়ে দিলেন।

গোপীবল্লভপুর বিধানসভার লোধাশুলির কুড়মি ভবন, কেশিয়াপাতা দুর্গামঞ্চ এবং বেলিয়াবেড়া বিডিও অফিসে এই ফর্ম পূরণের কাজ পুরোদমে চলছে। বিধায়কের পাশাপাশি স্থানীয় দলীয় নেতা-কর্মীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে যুবক-যুবতীদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন। রাজ্য সরকারের এই নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের মাসিক ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য যে, এই ক্যাম্পগুলি থেকে কেবল যুবসাথী নয়, পাশাপাশি ভাগচাষিদের ভাতা প্রদানের আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাস থেকেই যাতে যোগ্য প্রাপকরা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেন, সেই লক্ষ্যেই আজ সারা জেলাজুড়ে প্রতিটি ব্লকে একাধিক হেল্পডেস্কের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। মহাশিবরাত্রির এই পবিত্র তিথিতে একদিকে যেমন ধর্মীয় আচার পালিত হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আশায় জেলার যুবক-যুবতীদের মধ্যে এক নতুন ধরণের উৎসবের মেজাজ লক্ষ্য করা গেল।

RELATED ARTICLES

Most Popular