Monday, February 16, 2026
HomeJhargramঝাড়গ্রামে পথশ্রী-৪ প্রকল্পের আওতায় ৪ কোটিরও বেশি টাকায় তিনটি রাস্তার শিলান্যাস !...

ঝাড়গ্রামে পথশ্রী-৪ প্রকল্পের আওতায় ৪ কোটিরও বেশি টাকায় তিনটি রাস্তার শিলান্যাস ! খুশির হাওয়া এলাকায়

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান শংকর প্রসাদ দে বলেন যে, এই রাস্তা নির্মাণের ফলে এলাকার বাসিন্দারা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন এবং দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার অবসান ঘটবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা : ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর-২ ব্লকের পেটবিন্ধি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে এক বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গত শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ‘পথশ্রী-৪’ প্রকল্পের অধীনে তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণের কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়। এই উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে শিলান্যাস করেন পেটবিন্ধি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শংকর প্রসাদ দে। প্রথম পর্যায়ের কাজ হিসেবে পেটবেন্ধি হাটচালা থেকে ভক্তপাট প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩.৩৬ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের সূচনা করা হয়, যার জন্য আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এলাকার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই রাস্তাটি অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

 

একই দিনে ব্লকের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার কাজের শুভ সূচনা করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো তাল জামবনী বাসস্ট্যান্ড থেকে কালাবেরিয়া পর্যন্ত ৩.৩৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা নির্মাণ, যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এছাড়া পদিমা থেকে শিমুলিয়া চক পর্যন্ত ২.৭৭ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজও এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই নির্দিষ্ট রাস্তাটির জন্য ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৫৫ হাজার ৯০১ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে এই তিনটি রাস্তা নির্মাণে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৪ কোটিরও বেশি টাকা খরচ করা হবে। আধুনিক মানের এই রাস্তাগুলো তৈরি হলে গোপীবল্লভপুর-২ ব্লকের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি যেমন কমবে, তেমনই কৃষি ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনেও গতি আসবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান শংকর প্রসাদ দে বলেন যে, এই রাস্তা নির্মাণের ফলে এলাকার বাসিন্দারা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন এবং দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার অবসান ঘটবে। তিনি গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের এই সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রতিকান্ত প্রধান জানান যে, এই রাস্তাগুলো সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর বহুদিনের ছিল। কাজ সম্পূর্ণ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

RELATED ARTICLES

Most Popular