নিজস্ব সংবাদদাতা : সাতসকালেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল ঝাড়গ্রাম। রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকটের প্রতিবাদে এবং গ্যাস এজেন্সির অব্যবস্থাপনার অভিযোগে সোমবার থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ ও পথঅবরোধে সামিল হলেন গ্রাহকরা। ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রাম-লোধাশুলি রাজ্য সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে গ্রাহকরা সিলিন্ডার নিয়ে বসে পড়ায় দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষোভের কারণ ও গ্রাহকদের অভিযোগ:
১. অনলাইন বুকিংয়ে বিভ্রান্তি: গ্রাহকদের প্রধান অভিযোগ হলো, অনলাইনে বা হোয়াটসঅ্যাপে গ্যাস বুকিং করার পর তাঁদের মোবাইলে ‘সফলভাবে ডেলিভারি হয়েছে’ এমন মেসেজ চলে আসছে। অথচ বাস্তবে কোনো সিলিন্ডার তাঁরা হাতে পাননি।
২. এজেন্সির অসহযোগিতা: ঝাড়গ্রামের একটি নির্দিষ্ট গ্যাস এজেন্সির (যাঁর মালিক প্রাক্তন এক মন্ত্রীর পুত্র বলে পরিচিত) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ, দিনের পর দিন লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস মিলছে না। এমনকি এজেন্সির গেট বন্ধ করে রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

৩. কালোবাজারির আশঙ্কা: সাধারণ গ্রাহকদের নামে বুক করা গ্যাস রাতের অন্ধকারে চড়া দামে কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অনেকেরই সন্দেহ। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের আকাল থাকায় গৃহস্থালির গ্যাস হোটেল-রেস্তোরাঁয় চলে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
৪. টোকেন প্রথা: পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় এজেন্সিগুলি এখন ‘টোকেন’ দিয়ে গ্যাস দিচ্ছে। ভোররাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকে টোকেন পাচ্ছেন না, যার ফলে সাধারণ মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে।
