নিজস্ব সংবাদদাতা : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই জঙ্গলমহলে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এরই মাঝে শনিবার ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়া লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ মেলার উদ্বোধনে যোগ দিয়ে শাসকদল তৃণমূলকে একহাত নিলেন খড়্গপুর সদর আসনের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। ফুরফুরে মেজাজে থাকা দিলীপবাবু দাবি করেন, প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর তৃণমূল এখন আক্ষরিক অর্থেই ‘ব্যাকফুটে’।
দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের প্রধান ৪টি দিক:
১. ভোটার তালিকায় নাম বিভ্রাট: আউশগ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজির নাম ভোটার তালিকায় না থাকা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “প্রায় ৬০ হাজার নাম এখনও নির্বাচন কমিশন ও আদালতের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। যেগুলি পেন্ডিং রয়েছে, সেগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং সংশোধনের পর নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে বলেই আমরা আশাবাদী।”

২. প্রাক্তন বিধায়কদের দল ছাড়ার ইঙ্গিত: ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীদের প্রচারে এগিয়ে থাকা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী দিলীপবাবু বলেন, “বিজেপি শুধু এগিয়েই নয়, আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তৃণমূল থেকে যাঁরা টিকিট পাননি, এমনকি প্রাক্তন বিধায়করাও দল ছাড়তে প্রস্তুত। বিজেপির টিকিটের জন্য এখন লাইন পড়ে গেছে।”
৩. নিজেদের কর্মীদের ওপর ভরসা: দলবদলুদের নিয়ে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আগের মতো ভুল আর করছি না, আমরা নিজেদের কর্মীদের ওপরই ভরসা রাখছি।”

৪. তৃণমূলের ‘অস্থিরতা’ নিয়ে খোঁচা: তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বড়সড় রদবদল নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “৭৪ জনের টিকিট কাটা হয়েছে, মন্ত্রী-বিধায়কদের কেন্দ্র বদলাতে হয়েছে। এতেই স্পষ্ট তৃণমূল ভয় পেয়েছে। কোনও সেলিব্রিটি বা ফিল্মস্টার নেই, দল এখন মাটিতে নেমে এসেছে।”
