Friday, April 3, 2026
HomeWest Bengalমেদিনীপুর ও কেশপুরে তৃণমূলের জোরালো প্রচার ! সুজয়-শিউলিদের মনোনয়ন জমা ঘিরে জনপ্লাবন

মেদিনীপুর ও কেশপুরে তৃণমূলের জোরালো প্রচার ! সুজয়-শিউলিদের মনোনয়ন জমা ঘিরে জনপ্লাবন

বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর শহরের কলেজ ময়দান থেকে এক ঐতিহাসিক শোভাযাত্রার ডাক দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই মিছিলে সামিল হয়েছিলেন জেলার তিন হেভিওয়েট প্রার্থী:

নিজস্ব সংবাদদাতা : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পারদ চড়ছে জঙ্গলমহল জুড়ে। বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর ও কেশপুরের তৃণমূল প্রার্থীরা বিশাল শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন। জেলাশাসকের দপ্তরে মনোনয়ন জমা দেওয়ার এই প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে মেদিনীপুর শহর কার্যত ‘সবুজ’ আবিরে ঢেকে গিয়েছিল।

মেদিনীপুর সদরে ত্রিবেণী সঙ্গম: তিন প্রার্থীর যৌথ শোভাযাত্রা
বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর শহরের কলেজ ময়দান থেকে এক ঐতিহাসিক শোভাযাত্রার ডাক দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই মিছিলে সামিল হয়েছিলেন জেলার তিন হেভিওয়েট প্রার্থী:

সুজয় হাজরা (মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র)

শ্রীকান্ত মাহাতো (শালবনী বিধানসভা কেন্দ্র)

উত্তরা সিংহ হাজরা (গড়বেতা বিধানসভা কেন্দ্র)

শতাধিক দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে এই বিশাল মিছিল শহর পরিক্রমা করে। পথে বিভিন্ন মোড়ে মনীষীদের মূর্তিতে মাল্যদান করেন প্রার্থীরা। এরপর মিছিলটি জেলাশাসকের দপ্তরের বাইরে গিয়ে শেষ হয় এবং তিন প্রার্থী নিজেদের মনোনয়ন জমা দিতে ভেতরে প্রবেশ করেন।

সুজয় হাজরার প্রত্যয়: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর মেদিনীপুরের প্রার্থী সুজয় হাজরা জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী বলে জানান। তিনি বিগত দেড় বছরের কাজের খতিয়ান তুলে ধরে বলেন, “মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই ভোট দেবেন।” একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি।

কেশপুরে শিউলি সাহার ‘হুট খোলা’ মিছিলে জনজোয়ার
অন্যদিকে, কেশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহা এদিন এক অভিনব কায়দায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। হুড খোলা গাড়িতে চড়ে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মেদিনীপুর শহরে জেলাশাসক দপ্তরে পৌঁছান তিনি।

বিজেপি ও কমিশনকে নিশানা: মনোনয়ন জমা দিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শিউলি সাহা আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দেন। তিনি সরাসরি বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একযোগে নিশানা করে বলেন যে, ষড়যন্ত্র করে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না। কেশপুরের মানুষ উন্নয়নের স্বার্থেই তাঁকে পুনরায় আশীর্বাদ করবেন বলে তিনি দাবি করেন।

RELATED ARTICLES

Most Popular